২০ বছর পূর্বে সরকারি বরাদ্ধে নির্মাণ মোড়েলগঞ্জে রাস্তার ইট তুলে চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে একটি মহল

  • আপডেট টাইম : ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩৩ অপরাহ্ণ
  • /
  • 71 বার পঠিত

এম.পলাশ শরীফ,মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার বলইবুনিয়া ইউনিয়নের কিচমত জামুয়ার গ্রামের এক কিলোমিটারের ইট সোলিং রাস্তার ইট তুলে জনসাধারনের চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ব্যক্তি স্বার্থে একই এলাকার হাবিবুর রহমান খান ও তার লোকজন। জনভোন্তিতে পড়েছে ওই গ্রামের দেড়শতাধিক পবিবার সহ শিক্ষার্থীরা।
প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছে এলাকাবাসী। জানাগেছে, কিছমত জামুয়া গ্রামের উত্তর পাড়া একেএম শফিকুল ইসলামের বাড়ি থেকে বাগলেরহাট পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার ইট সোলিংয়ের এ রাস্তাটি ২০ বছর পূর্বে সরকারি বরাদ্ধে নির্মাণ করা হয়। এ গুরুত্বপূর্ন রাস্তাটি থেকে বাগেরহাট জেলা শহর, মোড়েলগঞ্জ উপজেলার রাজৈর, আমবাড়িয়া, কালিকাবাড়ি, পার্শ্ববতী ইন্দুরকানি উপজেলার পর্ত্তাশী, চন্ডিপুর, বাগলেরহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত চলাচলের মাধ্যম। দেড়শতাধিক পরিবারসহ প্রতিদিন ৫ শতাধিক মানুষ চলাচল করে এ রাস্তাটি থেকে। রয়েছে দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আরএম কুহারদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আল মুরতাজাম জামে সমজিদ কমপ্লেক্স, বাগলেরহাট বাজার জামে মসজিদ, ফজলুল উলুম নূরানী মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
কথা হয় ওই গ্রামের বাসিন্দা শেখ আব্দুল খালেক, মো. মজিবুর রহমান খান, হাফেজ মো. শফিকুল ইসলাম, ইমাম ইসাহাক আলী খান, মাওলানা আক্তারুজ্জামান, শিশু শিক্ষার্থী রবিউল হাওলাদার, মো.ইমাম হাওলাদারসহ একাধিকব্যক্তি জানান, তাদের দীর্ঘদিনের চলাচলের এ রাস্তা থেকে ইট তুলে নিয়ে দেয়াল তৈরি করে চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে ব্যক্তি স্বার্থে একটি মহল। স্থানীয়দের দাবি তাদের চলাচলের রাস্তাটি প্রভাবশালীদের হাত থেকে রক্ষার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
এ বিষয়ে বলইবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহাজাহান আলী খান বলেন, রাস্তাটি সরকারি বরাদ্ধে নির্মিত হয়েছিলো। যারা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে তাদেরকে নিষেধ করা সত্তে¡ও কর্নপাত করছে না।
এ সর্ম্পকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি সরেজমিন পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। #

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *